আমাদের এই আর্টিকেলে জানাবো এশার নামাজের রাকাত সংখ্যা ও পড়ার সঠিক নিয়ম। অনেকেই এশার নামাজের রাকাত, পড়ার নিয়ম এবং সময় নিয়ে বিভ্রান্ত থাকেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের মধ্যে এশার নামাজ হলো পঞ্চম ও সর্বশেষ ওয়াক্তের নামাজ। বিভিন্ন জায়গায় এশার নামাজের রাকাতের সংখ্যা বিভিন্নভাবে উল্লেখ করা হয়, ফলে সঠিক নিয়ম নির্ধারণে সমস্যা দেখা দেয়। তবে এই পোস্টটি সম্পূর্ণ পড়লে সব বিভ্রান্তি দূর হবে এবং নামাজের সঠিক নিয়ম জানতে পারবেন।
এশার নামাজ কয় রাকাত
এশার নামাজের রাকাত সংখ্যা বিভিন্ন জায়গায় ভিন্নভাবে উল্লেখ করা হয়।যেমন:
১৭ রাকাত পড়তে হয়।
১৫ রাকাত পড়া যায়
৯ রাকাত পরলেও হবে।
৬ রাকাত পড়া যাবে।
এর মধ্যে কোনটি সঠিক তা আমরা আপনাদের সামনে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করবো এবং অন্যান্য রাকাতের ব্যাখ্যাও তুলে ধরবো, ইনশাআল্লাহ।
এশার নামাজ ১৭ রাকাত কিভাবে?
এশার নামাজ ১৭ রাকাত কিভাবে হয় এবং নামাজের গুরুত্ব নিচে উল্লেখ করা হলো:
১) ৪ রাকাত সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা, যা আদায় করলে সওয়াব পাওয়া যায়, তবে না পড়লে কোনো গুনাহ হয় না।
২) ৪ রাকাত ফরজ, যা অবশ্যই আদায় করতে হবে; ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে কবিরা গুনাহ হবে।
৩) ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা, যা নিয়মিত আদায় করা উচিত; কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়া ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে গুনাহ হবে।
৪) ২ রাকাত নফল, এই নামাজ আদায় করলে সওয়াব পাওয়া যায়; তবে না পড়লে কোনো গুনাহ হয় না।
৫) ৫ রাকাত বিতর, যা শরীয়তের দৃষ্টিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে কমপক্ষে ৩ রাকাত অবশ্যই আদায় করতে হবে; ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে গুনাহ হবে।
এশার নামাজ ১৫ রাকাত কিভাবে হয়?
এশার নামাজ ১৫ রাকাত কিভাবে হয় এবং নামাজের গুরুত্ব নিচে তুলে ধরা হলো:
১) ৪ রাকাত সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা, যা আদায় করলে সওয়াব পাওয়া যায়; তবে না পড়লে কোনো গুনাহ হবে না।
২) ৪ রাকাত ফরজ, এই নামায অবশ্যই আদায় করতে হবে; ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে কবিরা গুনাহ হবে।
৩) ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা, যা নিয়মিত পড়া উচিত; যথাযথ কারণ ছাড়া না পড়লে গুনাহ হবে।
৪) ২ রাকাত নফল, যা আদায় করলে সওয়াব পাওয়া যায়; তবে না পড়লে কোনো গুনাহ হয় না।
৫) ৩ রাকাত বিতর, এটি ওয়াজিব এবং ফরজের সমতুল্য; তাই অবশ্যই আদায় করতে হবে। ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে গুনাহ হবে।
এশার নামাজ ৯ রাকাত কিভাবে হয় এবং গুরুত্ব
এশার নামাজ ৯ রাকাত কিভাবে হয় এবং নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরা হলো:
১) ৪ রাকাত ফরজ, যা অবশ্যই আদায় করতে হবে; ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে কবিরা গুনাহ হবে।
২) ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা, এই নামাজ নিয়মিত পড়া উচিত; যথাযথ কারণ ছাড়া না পড়লে গুনাহ হবে।
৩) ৩ রাকাত বিতর, এটি ওয়াজিব এবং ফরজের সমতুল্য; তাই অবশ্যই আদায় করতে হবে। ইচ্ছাকৃতভাবে ছেড়ে দিলে গুনাহ হবে।
৬ রাকাত এশার নামাজের গুরুত্ব
৬ রাকাত এশার নামাজ কিভাবে হয় এবং নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরা হলো:
১) ৪ রাকাত ফরজ, যা অবশ্যই আদায় করতে হবে; না পড়লে কবিরা গুনাহ হবে।
২) ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা, এই নামাজ নিয়মিত পড়া উচিত; যথাযথ কারণ ছাড়া না পড়লে গুনাহ হবে।
যারা ৬ রাকাত এশার নামাজের কথা বলে তাদের মতে, বিতর ৩ রাকাত আলাদা নামাজ হিসেবে গণ্য হয় এবং এটি এশার নামাজের অংশ নয়। বিতর নামাজকে আলাদা ধরা হোক বা এশার সঙ্গে মিলিয়ে ধরা হোক, এটি অবশ্যই পড়া আবশ্যক; না পড়লে কবিরা গুনাহ হবে।
উল্লেখ্য: এশার নামাজ কমপক্ষে ৯ রাকাত পড়তে হবে— ৪ রাকাত ফরজ, ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা এবং ৩ রাকাত বিতর।
এশার নামাজের নিয়ম
এশার নামাজের নিয়ম হলো প্রথমে ওজু করে কিবলার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ত করা। দুই হাত কানের লতি বরাবর তুলে আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করতে হবে। এছাড়া আরও সহজভাবে এশার নামাজ আদায়ের নিয়ম নিচে ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলো।
এশার নামাজের প্রথম ৪ রাকাত সুন্নতে গায়রে মুয়াক্কাদা পড়ার নিয়ম
১) প্রথমে ওজু করে নিজেকে পবিত্র করুন, তারপর পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে কেবলামুখী হয়ে উচ্চারণ করুন বা মনে মনে বলুন — আমি কেবলামুখী হয়ে এশার ৪ রাকাত সুন্নত নামাজ আদায় করছি। এরপর দুই হাত কানের লতি বরাবর (মেয়েরা কাঁধ বরাবর) তুলে আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করুন।
২) ছানা পড়ুন (সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা-ইলাহা গাইরুক।
৩) আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতনির রাজিম এবং বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়ার পর সূরা ফাতিহা পাঠ করতে হবে। সূরা ফাতিহা শেষ হলে কোরআন থেকে যেকোনো একটি সূরা বা কমপক্ষে ৩ আয়াত পড়তে হবে।
৪) আল্লাহু আকবার বলার সঙ্গে সঙ্গে রুকুতে যান। রুকুতে গিয়ে তাসবি পড়ুন — সুবহানা রব্বিয়াল আযিম তিন বার, পাঁচ বার বা সাত বার, যতবার ইচ্ছা; তবে বেজোড় সংখ্যা পড়াই উত্তম। রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানোর সময় পড়ুন — সামি‘ আল্লাহু লিমান হামিদাহ্, এবং সুজা হয়ে দাঁড়ালে বলুন — রব্বানা লাকাল হামদ।
৫) দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থান থেকে আল্লাহু আকবার বলে সিজদায় যান এবং সিজদায় তাসবি পড়ুন — সুবহানা রাব্বিয়াল আ-লা তিন, পাঁচ বা সাতবার। এক সিজদা দেওয়ার পর সোজা হয়ে বসুন, তারপর দ্বিতীয় সিজদায় যান এবং আবার তিন, পাঁচ বা সাতবার সুবহানা রাব্বিয়াল আ-লা পড়ুন। এরপর আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ান। এভাবেই প্রথম রাকাত সম্পন্ন হবে।
৬) এবার দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ার পর তার সঙ্গে আরেকটি সূরা পড়তে হবে। (প্রথম রাকাতের মতো ছানা এখানে পড়ার প্রয়োজন নেই; প্রথম রাকাতে শুধু ছানা পড়া হয়, অন্য রাকাতগুলোতে ছানা পড়া হয় না)। এরপর আগের নিয়ম অনুযায়ী রুকু ও সিজদা সম্পন্ন করতে হবে। দুই সিজদার পর বসে তাশাহুদ পাঠ করতে হবে।
৭) তাশাহুদ শেষ করার পর আল্লাহু আকবার বলেই তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়ান। তৃতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা পড়ুন এবং সাথে আরেকটি সূরা পড়ুন। এরপর আগের নিয়ম অনুযায়ী রুকু ও সিজদা সম্পন্ন করুন। দুই সিজদার পর আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ান।
৮। তারপর চতুর্থ রাকাত শুরু হলো। সূরা ফাতিহা পড়ার পর একটি সূরা আরও পড়তে হবে। এরপর আগের নিয়ম অনুযায়ী রুকু করুন এবং দুই সিজদা সম্পন্ন করুন। দুই সিজদার পরে বসে তাশাহুদ, দুরুদ শরীফ এবং দোয়া মাসুরা পড়তে হবে।
৯) তাশাহুদ, দুরুদ শরীফ এবং দোয়া মাসুরা শেষ করার পর ডান কাঁধের দিকে, তারপর বাম কাঁধের দিকে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ বলেই সালাম ফিরান। এভাবেই চার রাকাত সুন্নত নামাজ সম্পন্ন হবে।
এশার নাজামের চার রাকাত ফরজ পড়ার নিয়ম
১) প্রথমে ওজু করে পাক-পবিত্র হন, তারপর কেবলামুখী হয়ে নিয়ত করুন — মনে মনে বা উচ্চারণ করে বলতে পারেন, আমি কেবলামুখী হয়ে এশার ৪ রাকাত ফরজ নামাজ আদায় করছি।
২) দুই হাত কানের লতি বরাবর (মেয়েরা কাঁধ বরাবর) তুলে আল্লাহু আকবার বলে হাত বাঁধুন, বাম হাতের উপর ডান হাত রাখুন।
৩) এরপর ছানা পড়ুন: সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবারাকাসমুকা ওয়া তা‘আলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুক।
৪) আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়ার পর সূরা ফাতিহা পড়ুন।
৫) সূরা ফাতিহা শেষে একটি সূরা বা কমপক্ষে ৩ আয়াত পড়তে হবে।
৬) আল্লাহু আকবার বলে রুকু করুন; রুকুতে সুবহানা রব্বিয়াল আযিম তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়ুন (বেজোড় সংখ্যা উত্তম)।
৭) রুকু থেকে উঠে দাঁড়ান, সামি‘ আল্লাহু লিমান হামিদাহ্ বলুন এবং সুজা হয়ে রব্বানা লাকাল হামদ পড়ুন।
৮) আল্লাহু আকবার বলে সিজদায় যান; প্রতিটি সিজদায় সুবহানা রাব্বিয়াল আ-লা তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়ুন।
৯) এক সিজদা দিয়ে সোজা হয়ে বসুন, তারপর দ্বিতীয় সিজদায় যান এবং সুবহানা রাব্বিয়াল আ-লা তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়ুন।
১০) আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ান; এভাবেই প্রথম রাকাত শেষ হবে।
১১) দ্বিতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা ও একটি সূরা পড়ুন, রুকু ও দুই সিজদা করুন, তারপর বসে তাশাহুদ পড়ুন।
১২) তাশাহুদ শেষ করে আল্লাহু আকবার বলে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়ান; শুধু সূরা ফাতিহা পড়ুন, রুকু ও দুই সিজদা করুন। দুই সিজদার পরে চতুর্থ রাকাতের জন্য আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ান।
১৩) চতুর্থ রাকাতে শুধু সূরা ফাতিহা পড়ুন, রুকু ও দুই সিজদা করুন। তারপর বসে তাশাহুদ, দুরুদ শরীফ ও দোয়া মাসুরা পড়ুন এবং সালাম ফিরিয়ে চার রাকাত এশার ফরজ নামাজ শেষ করুন।
এশার ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা পড়ার নিয়ম
১) কিবলার দিকে মুখ ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে মনে মনে বা উচ্চারণ করে বলুন —আমি কেবলামুখী হয়ে এশার ২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজ আদায় করছি।
২) দুই হাত কানের লতি বরাবর (মেয়েরা কাঁধ বরাবর) তুলে আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করুন।
৩) ছানা পড়ুন।
৪) আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়ুন, তারপর সূরা ফাতিহা পড়ুন।
৫) সূরা ফাতিহা শেষে যেকোনো একটি সূরা পড়ুন।
৬) আল্লাহু আকবার বলে রুকুতে যান; রুকুতে তাসবি তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়ুন (বেজোড় সংখ্যা উত্তম)।
৭) রুকু থেকে উঠে দাঁড়িয়ে সামি‘ আল্লাহু লিমান হামিদাহ্ এবং সুজা হয়ে রব্বানা লাকাল হামদ পড়ুন।
৮) দাঁড়িয়ে থেকে আল্লাহু আকবার বলে সিজদা করুন; তাসবি তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়ুন।
৯) এক সিজদা দিয়ে সোজা হয়ে বসুন, তারপর দ্বিতীয় সিজদা করুন এবং আবার তাসবি তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়ুন।
১০) আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ান; এভাবে প্রথম রাকাত শেষ হবে।
১১) দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা ও একটি অন্য সূরা পড়ুন, রুকু ও দুই সিজদা সম্পন্ন করুন।
১২) বসে তাশাহুদ, দুরুদ ও দোয়া মাসুরা পড়ুন এবং দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করুন।
Read Also: ঈদ মোবারক পিকচার 2023 | eid mubarak picture
তিন রাকাত বিতর নামাজ পড়ার নিয়ম
১) দারিয়ে থেকে কিবলার দিকে মুখ ফিরিয়ে মনে মনে বা উচ্চারণ করে বলুন — আমি কেবলামুখী হয়ে তিন রাকাত বিতর নামাজ আদায় করছি।
২) দুই হাত কানের লতি বরাবর (মেয়েরা কাঁধ বরাবর) তুলে আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করুন।
৩) ছানা পড়ুন।
৪) আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম ও বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম পড়ুন, তারপর সূরা ফাতিহা পড়ুন।
৫) সূরা ফাতিহা শেষে যেকোনো একটি সূরা পড়ুন।
৬) আল্লাহু আকবার বলে রুকু করুন; তাসবি তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়তে পারেন (বেজোড় সংখ্যা উত্তম)।
৭) রুকু থেকে উঠে দাঁড়ান, সামি‘ আল্লাহু লিমান হামিদাহ্ বলুন এবং সুজা হয়ে রব্বানা লাকাল হামদ পড়ুন।
৮) আল্লাহু আকবার বলে সিজদায় যান; তাসবি তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়ুন।
৯) এক সিজদা দিয়ে সোজা হয়ে বসুন, তারপর দ্বিতীয় সিজদা করুন এবং আবার তাসবি তিন, পাঁচ বা সাতবার পড়ুন।
১০) আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ান; এভাবে প্রথম রাকাত শেষ হবে।
১১) দ্বিতীয় রাকাতে সূরা ফাতিহা ও একটি অন্য সূরা পড়ুন, রুকু ও দুই সিজদা করুন, তারপর বসে তাশাহুদ পড়ুন।
১২) তাশাহুদ শেষে আল্লাহু আকবার বলে দাঁড়ান।
১৩) তৃতীয় রাকাতে দাঁড়িয়ে সূরা ফাতিহা পড়ুন এবং সাথে একটি অন্য সূরা পড়ুন। এরপর দাঁড়িয়ে হাত ছাড়ুন। তারপর আল্লাহু আকবার বলে নামাজ শুরু করুন।
১৪) দোয়া কুনুত পড়ুন।
১৫) দোয়া কুনুত শেষে আল্লাহু আকবার বলে রুকু করুন, তাসবি পড়ুন এবং রুকু থেকে উঠে সিজদা করুন।
১৬) দুই সিজদা শেষে বসে তাশাহুদ, দুরুদ ও দোয়া মাসুরা পড়ুন এবং সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করুন।
এশার নামাজ শুরুর সময় ও শেষ সময়
এশার নামাজ শুরুর সময় মাগরিবের নামাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, সাধারণত সন্ধ্যার পর আকাশ থেকে লালিমা আভা দূর হলে (সূর্যাস্তের প্রায় ৭০–৭৫ মিনিট পর) শুরু হয়। শেষ সময় হলো সুবহে সাদিক বা ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়া পর্যন্ত। আলেমদের মতে, উত্তম সময় হলো রাতের প্রথম অর্ধেক বা এক-তৃতীয়াংশের মধ্যে এশার নামাজ আদায় করা।
শেষ কথা
আমাদের এই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার পর অবশ্যই কমেন্ট করে জানান, আপনি এশার নামাজ সম্পর্কে কতটা ধারণা পেয়েছেন। এছাড়া, যদি নিয়মিত এ ধরনের নামাজ ও ইসলাম সম্পর্কিত তথ্য পেতে চান, তাহলে আমাদের ওয়েবসাইট ফলো করে রাখুন। এতে আপনি সহজভাবে নামাজের নিয়ম, ওয়াক্ত এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়মিত জানতে পারবেন।
Read More: ১৫০+ ছেলেদের ইসলামিক নাম অর্থসহ ২০২৬
